ছবি এডিট করার ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপস | Background Changing Photo Editing Apps

Avatar

Published on:

ছবি এডিট করার ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপস | Background Changing Photo Editing Apps

আপনি কি প্রফেশনাল ভাবে ফটো এডিটিং করতে চাচ্ছেন? তাহলে আজকের পোস্টটি আপনার জন্যই। কারণ আমরা আজকের পোস্টটি আপনাকে জানাতে চলেছি ২০২৪ সালের সেরা ফটো এডিটিং অ্যাপস এবং ছবি এডিট করার ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে।

এছাড়াও এই পোষ্টের মধ্যে ছবি এডিটিং সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য এবং ছবি এডিট করার ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কেও কিছু তথ্য উপস্থাপন করার চেষ্টা করব। তাই সম্পূর্ণ পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ে জেনে নিন ২০২৪ সালের সেরা ফটো এডিটিং অ্যাপস সম্পর্কে এবং ফটো এডিট করার ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে। তাহলে দেরি না করে চলুন আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে সম্পূর্ণ পড়া যাক।

মোবাইলে ফটো এডিটিং করার সেরা এপস – (Android photo editor apps)

কথা না বাড়িয়ে চলুন জেনে নেওয়া যাক সেরা ফটো ইডিটিং অ্যাপের নাম গুলি। সাথে লিংক দেয়া থাকবে।

PicsArt

Photo Edit (ফটো এডিট) করার সর্বাধিক জনপ্রিয় অ্যাপ হলো PicsArt । ১ বিলিয়ন বারের বেশি ডাউনলোড হয়েছে অ্যাপটি। সহজে যেকোন ছবি ইডিট করা যায়। অটো ইফেক্ট ছবিতে টেক্সট ইফেক্ট বসানো ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ ইত্যাদি অনেক ফিচার রয়েছে অ্যাপটিতে।
Double exposures, AI-powered effects, 100s of fonts, fine-tuning এবং আরো অনেক রকমের ফিচারস ব্যবহার করে যেকোনো পিকচার এডিট (picture edit) করা সম্ভব।

AirBrush : Easy photo editor

এই ফটো ইডিটিং অ্যাপের রেটিং অন্য সকল ফটো ইডিটিং অ্যাপের থেকে বেশি। কারন এই অ্যাপে রয়েছে অ্যাডভান্স ফটো ইডিটিং অপশন। আপনার কালো বা শ্যাম বর্ণের ছবিকে একদম সাদা বানিয়ে নিতে পারবেন এই অ্যাপের মাধ্যমে।
Special ইফেক্টের পাশাপাশি অ্যাপটিতে রয়েছে perfect & smooth skin, Whiten Teeth, Brighten Eyes অপশনের সাথেই blemish এবং pimple remover এর মতো দারুন সব features ও ইফেক্ট।

Snapseed editor

Snapseed গুগলের একটি ফটো ইডিটিং অ্যাপ। অ্যাপের ফিল্টার ইফেক্ট ব্যবহার করে আপনার ছবিকে সুন্দর আকর্ষণীয় করে তুলতে পারবেন।
অ্যাপটি যেহেতু গুগলের সেহেতু বলার অপেক্ষা রাখে না অ্যাপটি কতোটা ভালো। Selective filter brush, Tune image, Crop, White Balance, Lens Blur, Glamour Glow, Frames, Face Enhance, Face Pose, Curves এবং এরকম আরো অনেক ধরণের অপসন এপলাই করে, নিজের ফটো কে অন্য মাত্রা দিতে পারবেন।

Adobe photoshop express

Adobe photoshop শব্দটি শুনলেই প্রথমে কম্পিউটারের Adobe photoshop এর কথা মাথায় আসে। কিন্তু Adobe মোবাইলেও তাদের ফটোশপ অ্যাপ রিলিজ করেছে।
Adobe ফটোশপের জগতে অনন্য মাত্রা দিয়েছে। তার ছোঁয়া তাদের মোবাইল অ্যাপেও রয়েছে। ২০২২ সালে সেরা মোবাইল ইডিটিং অ্যাপ নির্বাচিত হয়েছিল Adobe photoshop express। এই অ্যাপ দিয়ে আপনার ছবিকে সুন্দর আকর্ষণীয় করে তুলতে পারবেন।

Bonfire Photo Editor Pro

আপনি যদি এডভান্স ফটো ইডিটিং না করা না জেনে থাকেন। তাহলে এই ফটো ইডিটিং অ্যাপটি আপনার জন্য। শতাধিক ইফেক্ট রয়েছে ফটো ইডিটিং অ্যাপে। যেগুলো ব্যবহার করে আপনি এডভান্স লেভেলের ফটো ইডিটিং করতে পারবেন।
এছাড়াও Automatic selfie makeup, Unique Funk filters, Pop art filters, Magic “Fancy” effect, Artistic painting effects, Smart skin-whitening technology এবং আরো অনেক ধরণের প্রফেশনাল এডিটিং টুলস রয়েছে, যেগুলি ব্যবহার করে আপনারা এডভান্স ফটো  এডিট করতে পারবেন।

PhotoDirector

এই অ্যাপ দিয়ে আপনার ছবিকে আকর্ষণীয় ও সুপার করে তুলতে পারবেন। এর বিভিন্ন ইফেক্ট ছবিকে এতো আকর্ষণীয় করে তুলে যে আপনি অবাক হবেন।
filters, light effects, Brighten pictures, Color editing, Collage maker, Photo fx, HDR & layer editing এবং আরো অনেক ধরণের টুলস যেগুলি আপনার picture ও photo কে আরো বেশি আকর্ষণীয় (attractive) করে তুলবে।

Cymera Camera

আপনি কি সেলফি তুলতে পছন্দ করেন? যদি করে থাকেন তাহলে এই অ্যাপ আপনার জন্য। ইস্টান্ড ইফেক্ট আপনার ছবিকে সুন্দর আকর্ষণীয় করে। মা আপনি সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতে পারবেন।
Real-time Selfie Filters, Selfie Stickers, Selfie filter & beauty makeup tools, Collage Maker, Hairstyle & Color এবং আরো অনেক রকমের এডিটিং অপসন এখানে রয়েছে।

ছবি এডিট করার সফটওয়্যার

ওয়েবসাইট ছাড়াও সফটওয়্যার এর মাধ্যমে অনেকেই ফটো এডিটিং করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করছে। কারণ একজন ফটো এডিটরের দাম অনেক আপনি যদি একজন মাস্টার লেভেল এর ফটো এডিটর হতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনার ভ্যালু অনেক। মনে করেন আপনি ওয়েডিং প্লানার অথবা বিয়ে বাড়িতে গিয়ে ফটোগ্রাফি করেন।
এখন ছবি তোলার পর সেই ছবিগুলো যদি ভালোভাবে এডিট করে না দিতে পারেন, তাহলে আপনার কাস্টমার স্যাটিস্ফাইড হবে না। তাই আগে আপনাকে অবশ্যই ফটো এডিটিং শিখতে হবে। তারপরে কোন অনুষ্ঠানে গিয়ে ছবি তুলে সেটিকে এডিটিং করে তাদের কাছে সাবমিট করতে হবে। তেমনি আপনি যদি ভালো এডিটিং না জানেন, তাহলে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে পারবেন না।
তাই আগে ভালোভাবে ফটো এডিটিং শিখবেন তারপরে মার্কেটপ্লেসে গিয়ে অ্যাকাউন্ট তৈরি করে এবং গিগ তৈরি করে কাজ শুরু করতে পারেন। একজন দক্ষ ফটো এডিটর হওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই ফটো এডিট করার ওয়েবসাইট, সফটওয়্যার, অ্যাপস ইত্যাদি এর ব্যবহার জানতে হবে। ফটো এডিট করার জন্য শুধু অ্যাপস ব্যবহার করলেই ফটো এডিটিং হয়ে যায় না আরো মাস্টার লেভেলে ফটো এডিটিং করার জন্য সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে।
তাই আপনাদের সামনে এখন কয়েকটি সফটওয়্যার নাম বলব যে সফটওয়্যার গুলোর মাধ্যমে আপনি আপনার ফটোটিকে আরও সুন্দরভাবে সাজিয়ে আকর্ষণীয়ময় করতে পারবেন। ফটো এডিট করার জন্য যে সমস্ত সফটওয়্যার গুলো ব্যবহার করা হয়।
  • Snapseed
  • Photoshop
  • Illustrator 
  • Photo director
  • Airbrush 
  • Instasize
এই সমস্ত সফটওয়্যার গুলো বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়্যার। যে সফটওয়্যার গুলোর মাধ্যমে ফটো এডিটিং করলে অনেক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। এবং অনেক প্রফেশনাল ফটো এডিটররা এই সমস্ত সফটওয়্যার গুলোতে ফটো এডিটিং করে থাকে।
আপনিও চাইলে এই সমস্ত ফটো এডিটর সফটওয়্যার গুলোর মাধ্যমে ফটো এডিটিং করতে পারেন। তবে এর ব্যবহার যদি না জানেন তাহলে অবশ্যই যে কোন টিউটোরিয়াল ভিডিও দেখে এর ব্যবহার গুলো শিখে নিবেন।

ছবি এডিট করার ব্যাকগ্রাউন্ড ডাউনলোড কিভাবে করবো

  • UNSPLASH
  • PEXELS
  • PIXABAY
  • FREEPIK
  • Adobe Stock
  • Backgrounds by Wallpaper Abyss
  • Google Images

প্রিয় গ্রাহক, আপনি কি ছবি এডিট করার জন্য ব্যাকগ্রাউন্ড ফটো ডাউনলোড করতে চাচ্ছেন। তাহলে আজকের এই পোস্টটি আপনার জন্য। আজ আমরা এই পোস্টে ছবি এডিট করার ব্যাকগ্রাউন্ড ডাউনলোড কিভাবে করবেন সে সম্পর্কে জানবো। আপনি যদি আজকের এই পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়ে থাকেন, তাহলে খুব সহজেই ছবি এডিট করার ব্যাকগ্রাউন্ড ফটোগুলো খুব সহজেই অনলাইনে কয়েক জায়গায় থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।

অনেক ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনি ফটো এডিটিং এর জন্য ব্যাকগ্রাউন্ড ডাউনলোড করতে পারেন। এখানে কিছু জনপ্রিয় ওয়েবসাইট এর কথা উল্লেখ আছে, যেখান থেকে আপনি সহজেই photo editing background গুলো ডাউনলোড করতে পারবেন।

UNSPLASH

আনস্প্ল্যাশ উচ্চ-মানের, বিনামূল্যে-ব্যবহারযোগ্য ব্যাকগ্রাউন্ড গুলো একটি বিশাল সংগ্রহ অফার করে। আপনার ফটো এডিটিং প্রয়োজনের জন্য উপযুক্ত ব্যাকগ্রাউন্ড খুঁজতে আপনি নির্দিষ্ট থিম বা কীওয়ার্ড অনুসন্ধান করতে পারেন।

PEXELS

পেক্সেল আরেকটি প্ল্যাটফর্ম যা বিনামূল্যে স্টক ব্যাকগ্রাউন্ড গুলির একটি বড় লাইব্রেরি প্রদান করে। আপনি বিভিন্ন বিভাগ হিসেবে সার্চ করতে পারেন এবং আপনার সম্পাদনা প্রকল্পের জন্য ছবি ডাউনলোড করতে পারেন।

PIXABAY

বিনামূল্যে বিভিন্ন উচ্চ মানের ছবি এবং ভিডিও অফার করে। আপনি আপনার পছন্দের উপর ভিত্তি করে ব্যাকগ্রাউন্ড অনুসন্ধান করতে পারেন এবং আপনার ফটো এডিটিং প্রকল্পগুলির জন্য সেগুলি ডাউনলোড করতে পারেন৷

FREEPIK

ফ্রিপিক বিনামূল্যে ভেক্টর, ফটো এবং চিত্র প্রদান করে। যদিও কিছু বিষয়বস্তুর জন্য অ্যাট্রিবিউশন প্রয়োজন হয়,  আপনি সীমাবদ্ধতা ছাড়াই ফটো সম্পাদনার জন্য উপযুক্ত বিভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ড খুঁজে পেতে পারেন।

Adobe Stock

অ্যাডোব স্টক ব্যাকগ্রাউন্ড সহ প্রিমিয়াম ব্যাকগ্রাউন্ড গুলির একটি সংগ্রহ অফার করে। যদিও কিছু ছবি অর্থপ্রদান করা হয়, সেখানে বিনামূল্যের সম্পদের একটি নির্বাচনও পাওয়া যায়। বিনামূল্যে সামগ্রী ডাউনলোড করতে আপনাকে একটি Adobe ID দিয়ে সাইন ইন করতে হতে পারে।

Backgrounds by Wallpaper Abyss

এই ওয়েবসাইটটি ওয়ালপেপার এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে সমাহর। আপনি ফটো সম্পাদনার জন্য উপযুক্ত ফটো এডিটিং ব্যাকগ্রাউন্ড প্রচুর পরিসরে খুঁজে পেতে পারেন। প্রতিটি ছবির জন্য ব্যবহারের অধিকার চেক নিশ্চিত করুন।

Google Images

গুগল ইমেজ ইন্টারনেটে ইমেজ খোঁজার জন্য একটি বহুল ব্যবহৃত প্ল্যাটফর্ম। গুগল ইমেজগুলি বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করে। যেকোনো বিষয়ে ছবি খোঁজার জন্য একটি ব্যাপক গুরুত্বপূর্ণ। তবে এটি উল্লেখ করা বিষয় যে Google ইমেজে পাওয়া সমস্ত ছবি কপিরাইট ফ্রি নয়। আপনি নির্দিষ্ট ব্যাকগ্রাউন্ড অনুসন্ধান করতে Google চিত্র ব্যবহার করতে পারেন।

আপনি এডিটিং করতে পারেন এমন ব্যাকগ্রাউন্ড গুলো খুঁজে পেতে, “Tools” এ ক্লিক করুন এবং তারপর Creative common licence এর উপর ভিত্তি করে ফলাফলগুলি ফিল্টার করে আপনি সব কপিরাইট ফ্রি ব্যাকগ্রাউন্ড পাবেন। এবং এগুলো যে কোন জায়গায় ব্যবহার করতে পারবেন।

Related Posts

সঙ্গে থাকুন ➥